অঙ্গে মাখো মাখোরে এই না ব্রজের ধুলা
Onge Makho Makhore Ei Na Brojer Dhula
Key Lyrics
ঝুমুর
অঙ্গে মাখো মাখোরে এই না ব্রজের ধুলা
অঙ্গে মাখো মাখোরে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে ধুলা নয়রে ধুলা নয়রে,
গোপি পদ্মরেণু।
সেই ধুলা বাঞ্চাকরে,
ব্রজের রাইকানু।
অঙ্গে মাখো মাখোরে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি,
পরে গঙ্গার জলে।
গঙ্গা ও মুক্ত হয়,
ভাগবদ বলে।
অঙ্গে মাখো মাখো হে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি,
অঙ্গে মাখা যায়।
কটি জন্মের পাপ ছারিয়া,
স্বর্গে চলে যায়।
অঙ্গে মাখো মাখো রে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি,
লাগে পাপির গায়।
সেই পাপ নেচে নেচে,
বৈকুণ্ঠেতে যায়।
অঙ্গে মাখো মাখো রে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা নিয়ে,
যে বা পথে যায়।
জলের কুমির বনের বাঘ,
ভয়েতে পালায়।
অঙ্গে মাখো মাখো রে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা রে ভাই,
যে বা করে হেলা।
সর্ব্ব অঙ্গ নষ্ট হয়,
চক্ষু হয় তার কানা।
অঙ্গে মাখো মাখো রে,
এই না ব্রজের ধুলা।
ওরে শ্রীদাম নাচে সুদাম নাচে,
নাচিতে লাগিলো।
মা যশোদা নেচে নেচে,
কৃষ্ণ কোলে নিলো।
অঙ্গে মাখো মাখো রে,
এই না ব্রজের ধুলা।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
Onge Makho Makhore Ei Na Brojer Dhula
“অঙ্গে মাখো, মাখো হে”
অঙ্গে মাখো,মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে ধুলা নয়রে,
ধুলা নয়রে গোপি পদ রেনু।।
সেই ধুলা বাঞ্চা করে নন্দের বেটা কানু।।
অঙ্গে মাখো, মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি পড়ে গঙ্গার জলে,
গঙ্গা মুক্ত হয় ভাগবতে বলে।
অঙ্গে মাখো,মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি অঙ্গে মাখা যায়,
কোটি জনের পাপ ছাড়িয়া স্বর্গে চলে যায় !!!
অঙ্গে মাখো,মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি লাগে পাপীর গায়
সে পাপী নেচে নেচে বৈকুন্ঠেতে যায় !!!
অঙ্গে মাখো, মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা
ওরে সংকীর্তনের ধুলা নিয়ে যেবা পথে যায়
জলের কুমির বনের বাঘ ভয়েতে পালায়।।
অঙ্গে মাখো মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা রে ভাই যেবা করে হেলা..
সর্ব অঙ্গ নষ্ট হয় চক্ষু হয় তার কানা !!!
অঙ্গে মাখো মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
ওরে শ্রীধাম নাচে সুদাম নাচে নাচিতে লাগিলো
ওরে শ্রীধাম নাচে সুদাম নাচে নাচিতে লাগিলো
মা যশোদা নেচে নেচে কৃষ্ণ কোলে নিলো !!!
অঙ্গে মাখো মাখো হে এই নাম ব্রজের ধুলা।।
রাম কুন্ড রাধা কুন্ড গিরি গোবর্ধন।
মধুর মধুর বাদ্য বাজে এই তো বৃন্দাবন।।
হরি বল, হরি বল, হরি বল।।
হরি বলরে, হরি বলরে, হরি বলরে।।
অঙ্গে মাখো মাখোরে এই না ব্রজের ধুলা লিরিক্স
অঙ্গে মাখো,মাখো হে ত্রই না ব্রজের ধুলা
ওরে ধুলা নয়রে,ধুলা নয়রে ভক্তি পদের ধুল!!
সেই ধুলা বাঞ্চা করে ব্রজেরা এখনো
অঙ্গে মাখো, মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি পরে গঙ্গার জলে„
গঙ্গা মুক্ত হয় ভাগবত বলে! !!!
অঙ্গে মাখো,মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা।।
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি অঙ্গে মাখা যায়„
কোটি জনের পাপ ছাড়িয়া স্বর্গে চলে যায় !!!
অঙ্গে মাখো,মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা
ওরে সংকীর্তনের ধুলা যদি লাগে পাপির গায়
সে পাপি নেচে নেচে বৈকুন্ঠেতে যায় !!!
অঙ্গে মাখো, মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা
ওরে সংকীর্তনের ধুলা নিয়ে যেবা পথে যায়
জলের কুমির বনের বাঘ ভয়েতে পালাই !!!
অঙ্গে মাখো মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা
ওরে সংকীর্তনের ধুলা রে ভাই যেবা করে হেলা..
সর্ব অঙ্গ নষ্ট হয় চক্ষু হয় তার কানা !!!
অঙ্গে মাখো মাখো হে এই না ব্রজের ধুলা
ওরে শ্রীধাম নাচে সুদাম নাচে নাচিতে লাগিলো
ওরে শ্রীধাম নাচে সুদাম নাচে নাচিতে লাগিলো
মা যশোদা নেচে নেচে কৃষ্ণ কোলে নিলো !!!
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে!!!!
- গানের শিরোনাম: অঙ্গে মাখো মাখো রে এই না ব্রজের ধুলা
- গানটি কোন ধরনের: কীর্তন/ভজন
- কারা গানটি গেয়েছেন: বিভিন্ন কীর্তন শিল্পী এই গানটি পরিবেশন করেছেন। যেমন – রাধে কৃষ্ণ কীর্তন, বিভিন্ন বৈষ্ণব সাধক ও ভক্তবৃন্দ।
- গানের বিষয়বস্তু: ব্রজধামের ধূলির মহিমা, সংকীর্তনের তাৎপর্য, এবং এর আধ্যাত্মিক প্রভাব।
অঙ্গে মাখো মাখো রে: ব্রজের ধূলি ও সংকীর্তনের দিব্য মহিমা
‘অঙ্গে মাখো মাখো রে এই না ব্রজের ধুলা’ গানটি একটি ভক্তিপূর্ণ কীর্তন যা আমাদের শ্রীধাম বৃন্দাবনের এক পবিত্র যাত্রায় নিয়ে যায়। এই গানের মূল বার্তা হলো, ব্রজের ধূলি কোনো সাধারণ ধূলি নয়, বরং তা গোপী পদ্মরেণু—যা পরম পবিত্রতার প্রতীক। এই ধূলি এতটাই পবিত্র যে স্বয়ং শ্রী রাধা ও কৃষ্ণও এর মহিমা কামনা করেন।
গানটিতে সংকীর্তনের অলৌকিক শক্তির কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, সংকীর্তনের ধূলি যদি পাপীর গায়ে লাগে, তবে সে পাপ থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠে যেতে পারে। এমনকি গঙ্গার জলে এই ধূলি পড়লে গঙ্গাও আরও পবিত্র হয়। এর মধ্য দিয়ে বোঝানো হয় যে, সংকীর্তন শুধু একটি গান নয়, বরং এটি পাপ মোচনের এক শক্তিশালী মাধ্যম।
এই গানের প্রতিটি পদে বৈষ্ণবীয় ভক্তি ও বিশ্বাস ফুটে ওঠে। এটি কেবল একটি গান নয়, বরং একটি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা যা শ্রোতাকে কৃষ্ণপ্রেমের গভীরে নিয়ে যায়।
সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
১. ‘ব্রজের ধুলা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর: ‘ব্রজের ধুলা’ বলতে শ্রীধাম বৃন্দাবনের পবিত্র ধূলিকে বোঝানো হয়েছে। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এটি কোনো সাধারণ ধূলি নয়, বরং রাধা-কৃষ্ণ এবং তাঁদের লীলার স্পর্শে এটি পদ্মরেণুর মতো পবিত্র ও দিব্য হয়ে উঠেছে।
২. এই গানটির মূল শিক্ষা কী? উত্তর: এই গানটির মূল শিক্ষা হলো সংকীর্তনের অসাধারণ শক্তি এবং ব্রজধামের পবিত্রতা। গানটি শেখায় যে ভক্তি ও নামকীর্তনের মাধ্যমে যেকোনো পাপ থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব এবং আধ্যাত্মিক পথে অগ্রসর হওয়া যায়।
৩. ‘সংকীর্তনের ধুলা’ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর: ‘সংকীর্তনের ধুলা’কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয় কারণ এটি হরিনাম ও কৃষ্ণপ্রেমের স্পন্দনে পূর্ণ। এই ধূলি পাপ নাশ করে, মনকে শুদ্ধ করে এবং জীবনের সকল বাধাবিপত্তি দূর করতে সাহায্য করে। এই গান অনুযায়ী, এই ধূলি এতটাই পবিত্র যে তা বাঘ ও কুমিরের মতো হিংস্র প্রাণীদের থেকেও রক্ষা করে।
৪. গানটিতে ‘মা যশোদা নেচে নেচে, কৃষ্ণ কোলে নিলো’—এই পংক্তিটির তাৎপর্য কী? উত্তর: এই পংক্তিটি শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর ভক্তদের মধ্যেকার গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরে। মা যশোদা হলেন পরম ভক্তের প্রতীক। যখন সংকীর্তন শুরু হয়, তখন ভক্তদের ভক্তি দেখে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভক্তের কোলে ধরা দেন। এটি ভক্ত ও ভগবানের প্রেমময় সম্পর্কের এক সুন্দর চিত্র।